Search This Blog

Tuesday, June 20, 2017

অ্যাবাকাস কি?


অ্যাবাকাস হচ্ছে আড়াআড়ি তারে ছোট্ট গোলক বা পুঁতি লাগানো চারকোণা কাঠের একটি কাঠামো।খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে ব্যাবিলনে এটি আবিস্কার হয় বলে ধারণা করা হয়। অ্যাবাকাস দিয়ে সাধারণত যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, বর্গ ও বর্গমূল নিরূপন করা যেত।


  চিত্রঃ একটি অ্যাবাকাস যন্ত্র
               

বিভিন্ন প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য সমূহ ।

Generation of Computers

👉প্রথম প্রজন্ম (১৯৫১-১৯৫৯):
* আকারে বড় বিধায় প্রচুর তাপ উৎপাদনকারী;
* মেমরি অত্যন্ত অল্প;
* ভ্যাকুয়াম টিউব দিয়ে তৈরি;
* মেমরি চৌম্বকীয় ড্রামের;
* কোড ব্যবহার করে প্রোগ্রাম চালানোর ব্যবস্থা;
* এই কম্পিউটারের যান্ত্রিক গোলযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পাওয়ার খরচ বেশি এবং
* এই প্রজন্মের কম্পিউটারে যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা হত।
👉দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৯-১৯৬৫):
* এটিতে মডিউল ডিজাইন ব্যবহার করে সার্কিটের প্রধান প্রধান অংশগুলো আলাদা বোর্ডে তৈরি করা যেত;
* অধিক নির্ভরশীল, অধিক ধারণক্ষমতা এবং তথ্য স্থানান্তরের সুবিধা;
* সাইজে ছোট, গতি বেশি এবং বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন কম;
* ট্রানজিস্টর দ্বারা তৈরি ও মেমরি চুম্বক কোরের এবং
* অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা হত।
👉তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৫-১৯৭১):
* বিভিন্ন প্রকার উন্নত মেমরি ব্যবস্থার উদ্ভাবন;
* ব্যাপক একীভূত বর্তনীর ব্যবহার;
* সাইজ ছোট বলে বিদ্যুৎ খরচ কম এবং
* উচ্চ ভাষা দিয়ে প্রোগ্রাম লিখা তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে শুরু হয়।
👉চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১- বর্তমান):
* উন্নত চিপ এর ব্যবহার ও ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার;
* বিশাল পরিমাণ মেমরি ও অত্যন্ত গতি এবং
* টেলিযোগাযোগ লাইন ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান।
👉পঞ্চম প্রজন্ম (ভবিষ্যৎ প্রজন্ম)
* এই ধরণের কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১০-১৫ কোটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
* শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটার শুনতে পারবে এবং কথা বলতে পারবে।
* এই প্রজন্মের কম্পিউটারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে। ফলে কম্পিউটার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে তা সিদ্ধান্ত গ্রহণে
ব্যবহার করতে পারবে।
* ভিজুয়্যাল ইনপুট বা ছবি থেকে ডাটা গ্রহণ করতে পারবে।

কম্পিউটারের মৌলিক সীমাবদ্ধতা কী ? কম্পিউটারের কি চিন্তা শক্তি আছে?


কম্পিউটার একটি যন্ত্র মাত্র। এর চিন্তা শক্তি নেই, নেই বুদ্ধিমত্তা বা বিচার বিশ্লেষণ এবং বিবেচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা।
Computer Basic Limitations

সিপিউ কে কম্পিউটারের মস্তিস্ক বলা হয় কেন ?


কম্পিউটারের সাংগঠনিক অংশগুলোর মধ্যে সিপিউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজ করার সময় আমরা যে সব নির্দেশ দিয়ে থাকি সেগুলোর গাণিতিক বিশ্লেষণ, যুক্তিমূলক বিন্যাস, নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ; এক কথায় যাবতীয় প্রক্রিয়াকরণের কাজ এই অংশে হয়ে থাকে। প্রাণির মস্তিস্ক যেমন যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেহকে সচল রাখে, কম্পিউটার সিপিউ তেমনি যাবতীয় কর্মসম্পাদনের মাধ্যমে কম্পিউটারকে কার্যউপযোগী রাখে। এজন্য সিপিউকে কম্পিউটারের মস্তিস্ক বলা হয়।

কম্পিউটারের কাজ লিখ ।


কম্পিউটার নিম্নলিখিত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। যথা-
  • সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরি প্রোগ্রাম কম্পিউটার গ্রহণ করে মেমরিতে সংরক্ষণ করে এবংব্যবহারকারীর নির্দেশে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নির্বাহ করে;
  •  ইনপুট ডিভাইস-এর মাধ্যমে ডাটা গ্রহণ করে;
  • ডেটা প্রসেস করে এবং
  • আউটপুট ডিভাইস-এর মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করে।

কম্পিউটার কী? কম্পিউটার যন্ত্রাংশ গুলো কি কি?

কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র। যাতে পূর্ব থেকে কিছু তথ্য দেয়া থাকে, যা ইনপুট ডিভাইস এর মাধ্যমে ইনপুটকৃত গাণিতিক ও যৌক্তিক ডাটা সমূহকে প্রসেসর দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত সুনির্দিষ্ট আউটপুট প্রদান করে।

কম্পিউটার সংগঠনের অংশগুলো নিুরূপ-


👉ইনপুট ইউনিট: যে ইউনিটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে যাবতীয় তথ্য বা উপাত্ত প্রদান করা হয়, তাকে ইনপুট ইউনিট বলে। যেমন-
* কীবোর্ড;
* মাউস;
* স্ক্যানার;
* জয়স্টিক;
* লাইটপেন;
* ডিজিটাল ক্যামেরা;
* পাঞ্চকার্ড রিডার;
* অপটিকাল মার্ক রিডার;
* অপটিকাল ক্যারেকটার রিডার এবং
* পেপার টেপ রিডার।
👉মেমরি ইউনিট: যে ইউনিটে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে উত্তোলন করা যায়, তাকে মেমরি ইউনিট বলে। যেমন-
* হার্ডডিস্ক;
* ফ্লপি ডিস্ক সিডি;
* ডিভিডি এবং
* ফ্ল্যাশ ড্রাইভ।
👉গাণিতিক ও যৌক্তিক ইউনিট: গাণিতিক ও যৌক্তিক ইউনিট যাবতীয় হিসাব যেমন: যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কার্য সম্পন্ন করে।
👉 নিয়ন্ত্রণ ইউনিট: এই অংশ কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
আউটপুট ইউনিট: যে ইউনিটের মাধ্যমে কম্পিউটার যাবতীয় ফলাফল প্রদান করে, তাকে আউটপুট ইউনিট বলে।
যেমন-
* মনিটর;
* প্রিন্টার;
* ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে;
* ফিল্ম রেকর্ডার;
* স্পীকার এবং
* মাইক্রোফোন।

Monday, June 19, 2017

Write a java program use superclass and subclass ( সুপার ক্লাস ও সাব ক্লাস ব্যবহার করে জাভা ভাষায় একটি প্রোগ্রাম রচনা করা )

class Student

{

int Roll;
String Name=new String ( );
}
class Result extends Student //Inherting Student  Class
{
float Mark;
void GetData ( )
{
Roll=523083;
Name=”Mijan”;
Mark=70.75f;
}
void Display ( )
{
System.out.println(“Roll is :”+Roll);
System.out.println(“Name is:”+Name);
System.out.println(“Mark is:”+Mark);
}
}
class inherit
{
public static void main (String args[])
{
Result R=new Result ( );
R.GetData ( );
R.Display ( );
}

}

Write a java program use multi thread method ( মাল্টিথ্রেড মেথড ব্যবহার করে জাভা ভাষায় প্রোগাম )


Class A implememts Runnable
{
Public Void Run()
for(int i=1'i<=5;i=i+2)
{
System.out.println("Inside Thread A:i="+i);
}
System.out.println("Exit From A.");
}
class B implements Runnable
{
Public void run()
{
for(int j=2;j,=6;j=j+2)
}
system.out.println("Inside Thread B:j="+j);
}
system.out.println("Exit From B.");
}
}
class c implements Runnable
{
Public void run()
}
for(int k=3;k<6;k=k+3)
{
System.out.println("inside thread c: k="k);
System.out.println("Exit From C."k);
}
}
Class multhread
{
Public Static Void main(String args[])
{
A objA=new A();
Thread Th1=new Thread(objA);
B objB=new B();
Thread Th2=new Thread(objB);
C objB=new C();
Thread Th3=new Thread(objC);
system.out.println("Staring Thread A:");
Th1.start();
system.out.println("Staring Thread B:");)
Th2.start();
system.out.println("Staring Thread C:");)
Th3.start();
system.out.println("Exit From Main Thread.");)
}

}

Write a program in java use Overloading, Constructor or Copy Constructor ( ওভারলোডিং কনস্ট্রাক্টর বা কপি কনস্ট্রাক্টর ব্যবহার করে জাভা ভাষায় একটি প্রোগ্রাম )

class Student
{
int Roll;
String Name;
float Mark;
Student()
{
Roll="Salam";
Mark=89.5F;
}
Student(int R,String N,float m)
{
Roll=R;
Name=n;
Mark=M;
}
Student(Student S)
{
Roll=s.Roll;
Name=s.Name;
mark=S.M;
}
Void display()
{
system.out.println("Roll is:"=Roll);
system.out.println("Name is:"=Name);
system.out.println("Mark is:"=Mark);
}
}
Class CopyConstrnctor
{
Pubic Static Void main(String args[])
{
Student S1=new student();
system.out.println("recoard Of S2:");
S2 Display();
System.out.Println("same Recoard");
}
}



Write a java program to find largest of three numbers ( তিনটি সংখ্যার মধ্যে বড় সংখ্যাটি বের করার জাভা প্রোগ্রাম )

import java.is.*;
class largenumber
{
int a,b,c;
string s;
try
{
inputstreamReader IN=new InputstreamReader(system.in);
BufferReader BR=new BufferedReaderIN);
System.out.print("Enter Firdt Number a=:");
S=BR.readLine();
B=Integer.parseInt(s);
System.out.print("Enter third number C=:");
s=BR.readLine();
c=Integer.parseInt(s);
If(a>b)
{
if(a>c)
{
system.out.printIn("large number is="+a);
}
else
{
system.out.printIn("large number is+"c);
}
}
else
{
if(b>c)
System.out.PrintIn("large number is="+b);
}
else
{
System.out.printIn("large number is=+c");
}
}
}Catch(Exception e){}
}
}


Prime Number Program in C++ ( প্রাইম সংখ্যা নির্ণয়ে C++ প্রোগ্রাম )


#include <stdio.h>
int main()
{
int n, i, c=0;
printf("Enter the number: ");
scanf("%d", &n);
for(i=1;i<=n;i++)
{
if(n % i == 0)
{
c++;
}
}
if(c == 2)
{
printf("\nThe given number is a prime number\n");
}
else
{
printf("\nThe given number is not a prime number\n");
}
return 0;

}

Bangladesh Flag Use C Program ( বাংলাদেশ এর পতাকা অঙ্কনে সি প্রগ্রাম )

#include<graphics.h>
#include<conio.h>
main(){
int driver,mode;
driver=DETECT;
mode=0;
initgraph(&driver,&mode,"c:\\tc\\bgi");
setbkcolor(WHITE);
setcolor(WHITE);
rectangle(150,40,450,180);
setfillstyle(1,GREEN);
floodfill(160,50,WHITE);
setcolor(WHITE);
rectangle(138,35,150,450);
setfillstyle(1,BLUE);
floodfill(140,40,WHITE);
setcolor(WHITE);
bar(130,450,160,460);
setcolor(WHITE);
circle(300,110,55);
setfillstyle(1,RED);
floodfill(320,120,WHITE);

getch();}

ভালোবাসার মায়াজাল !!

ভালোবাসার মায়াজালে কেউ ভাসে সুখের জোয়ারে, কেউ আবার দুঃখের স্রোতে! (Restored from note- 2019)